Showing posts with label তথ্য/খবর. Show all posts
Showing posts with label তথ্য/খবর. Show all posts

Monday, July 9, 2018

বিমান- সর্ম্পকে কিছু মজার তথ্য


১) ক্ষুদ্রতম বিমানের রেকর্ড

বিমানের গঠন বৈচিত্র্যে যেমন বিভিন্নতা লক্ষিত হয় তেমনি আকৃতির দিক থেকেও একের সঙ্গে অন্যের যথেষ্ট পার্থক্য থাকে। এমন একটি বিমানের খোজ পাওয়া গেছে যার আকৃতি এত ছোট যা আমাদের একেবারেই কল্পনা বহির্ভুত।
রেস্টিকস নামক এক মার্কিন বিজ্ঞানী নিজেদের কারখানায় এমন একটি অত্যাশ্চর্য বিমান তৈরী করেছেন যার নামকরণ করা হয়েছে স্কাই বেবী। সেটির নক্সাও তৈরী করেছেন মিঃ রেটিকস নিজেই। এটির ওজন সর্বসাকুল্যে চার শ' বাহান্ন পাউন্ড। আরও আশ্চর্য ব্যাপার। বিমানটি যত ছোটই হোক না কেন সেটি ছোটে কিন্তু ঘন্টায় এক শ’ পচাশি মাইল বেগে।

২) বিশ্ব পরিক্রমা

ক্রমান্বয়ে বিমান চালিয়ে পৃথিবীর অধিকাংশ স্থান প্রদক্ষিণ করার কাজটি নেহাৎ সাধারণ ব্যাপার নয়। বরং বলা চলে অসাধ্য সাধন করা। ওয়াইলি পোস্ট নামে এক উচ্চাভিলাষী যুবক এই অসাধ্য সাধন করে বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছিলেন।
কোন প্রতিযোগিতার ব্যাপার নয়। একা একেবারে একা ছোট একটি বিমান নিয়ে। তিনি দীর্ঘপথ পাড়ি দিয়ে পৃথিবীর অধিকাংশ স্থান প্রদক্ষিণ করেন। তিনি মোট পনের হাজার পাঁচশ ছিয়ানব্বই মাইল পথ এক শ’ পঞ্চান্ন ঘণ্টা ত্রিশ সেকেন্ডে অতিক্রম করে বিশ্ববাসীকে চমকে দিয়ে নতুন রেকর্ড সৃষ্টি করেন। আরও আছে, ওয়াইলি পোস্ট নিরক্ষীয় বৃত্তের সঙ্গে সাধ্যমত দূরত্ব বজায় রেখেই পৃথিবীর অধিকাংশ অঞ্চল প্রদক্ষিণ করেন। 

৩) প্রথম যাত্রীবাহী বিমান

উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন জেট বিমান বোয়িং ৭৪৭ ‘জাম্বো’ জেট। এটি সর্বপ্রথম উনিশ শ’ উনসত্তর খ্রীস্টাব্দের নয়ই ফেব্রুয়ারী আকাশে উড়েছিল এটির যাত্রী বহন ক্ষমতা পচিশ জন। আর গতিবেগ ঘন্টায় দুশ দু'মাইল অৰ্থাৎ ন’ শ’ উনসত্তর কিলোমিটার। এর দৈর্ঘ্য প্রায় একশ’ ছিয়ানব্বই ফুট। এবং বিমানটির দৈর্ঘ্য প্রায় দু’ শ’ ডানার বত্রিশ ফুট। এটি যাত্রীবহনের কাজে প্রথম ব্যবহৃত হয় উনিশ শ’ সত্তর খ্রীস্টাব্দের বাইশে জানুয়ারী। আবার বোয়িং ৭৪৭-৩০০-তে একটি পৃথক দীৰ্থ স্থান আছে। যাতে অতিরিক্ত সাইরিশ জন যাত্রীর সম্মুলান হয়। এটি প্রথম যাত্রীবহনের কাজে ব্যবহৃত হয় উনিশ শ তিরাশি খ্রীস্টাব্দের মার্চ মাসে। এবার আরও অধিক যাত্রীবহন ক্ষমতাসম্পন্ন বিমানের খোজ করা যাক। ট্রান্স-আমেরিকা এয়ার লাইন বোয়িং ৭৪৭ বিমানটি প্রথম আকাশে ওড়ে । উনিশ শ’ একাশি খ্রীস্টাব্দের সাতাশে ফেব্রুয়ারী। এটিই বিশ্বরেকর্ড সৃষ্টিকারী যাত্রীবাহী বিমান এতে দুশ দশটি আসন রয়েছে।

৪) বিমানের বৈচিত্র্য 

আমরা যদি আরও কয়েক বছর পিছিয়ে গিয়ে বিশ শতকের গোড়ায় চলে যাই অর্থাৎ বিমানের একেবারেই শৈশবাবস্থায় ফিরে যাই তবে আমরা কি দেখতে পাব? দ্য রো-১ নামক বিচিত্র ধরনের এক বিমানের ছবি আমাদের চোখের সামনে ভেসে উঠবে। সত্যই বিচিত্র তার গঠন প্রক্রিয়া যা আমাদের বিস্ময় উৎপাদন করতে বাধ্য। ‘দ্য রো-১ নামক বিচিত্র ধরনের এই বিমানটি উনিশ শ’ ন’ খ্রীস্টাব্দে ইলিয়ট বারডন্ রো নামক এক প্রৌঢ় বিজ্ঞানী তৈরী করেছিলেন। বিমানটি তৈরী করা হয়েছিল কাঠ দিয়ে আর শক্ত বাদামী কাগজ দিয়ে তার ছাউনি দেওয়া হয়েছিল। আর তার সামনের দিকে দুইটি এবং পিছনের দিকে একটি—মোট তিনটি সাইকেলের মত চাকা লাগানো ছিল। বিমানটি চলার সময় অনবরত ঝন ঝন শব্দ নির্গত হত। আজকের মানুষের কাছে এমন বিচিত্র কোন বিমান বাস্তবিকই অকল্পনীয়।

৫) সৌরশক্তি বিমান চালায়

আমরা জানি বিমানের শক্তি যোগায় পেট্রোল। কিন্তু যদি বলা যায় সৌরশক্তির সাহায্যেও বিমান চালানো যেতে পারে তবে তা আমাদের হাসির উদ্রেক করতে বাধ্য। কিন্তু পল ম্যাকক্লেডী নামক বিজ্ঞানী উনিশ শ’ আশি খ্রীস্টাব্দে সৌরশক্তির সাহায্যে এরকম চলতে সক্ষম অত্যাশ্চর্য একটি বিমান তৈরী ক’রে বিশ্বে চমক সৃষ্টি করেছেন। এটিই সৌরশক্তির সাহায্যে চলনযোগ্য প্রথম বিমান। বিজ্ঞানী ম্যাকক্রেী নিজেই বিমানটির নক্সা তৈরী করেন। সেটির ওজন সর্বমোট দু' শ’ পচাত্তর পাউন্ড। উনিশ শ’ আশি খ্রীস্টাব্দের বিশে নভেম্বর এটিকে সৌরশক্তির সাহায্যে প্রথম চালানো হয়। তারপর এটি অসাধ্য সাধন করে উনিশ শ’ একাশি খ্রীস্টাব্দের সাতই জুলাই। সেদিন এটি অনায়াসে ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করে সমগ্র বিশ্বে রীতিমত আলোড়ন সৃষ্টি করে।

৬) বিমানের শৈশব

উনিশ শ সাতাশ খ্রীস্টাব্দের কথা। সে সময়কে বিমানের শৈশবকাল বলা চলে। দীর্ঘদিন নিরলস কঠোর সাধনায় ব্রতী থেকে দেশ-বিদেশের বৈজ্ঞানিকগণ বিমান। নির্মাণশিল্পকে আজ উন্নতির চরম শিখরে পৌছে দিয়েছেন। তবু আজও বিজ্ঞানীগণ নিরবচ্ছিন্ন কঠোর সাধনায় লিপ্ত রয়েছেন, কি করে আকাশপথে আরও অল্প সময়ে দীর্ঘ পথ পাড়ি দেওয়া সম্ভব। যে সময়ের কথা আলোচনা হচ্ছে তখন ছোট বিমানে আমেরিকান স্পেস সেন্টার তেত্রিশ ঘণ্টা ত্ৰিশ মিনিট প্রথম আটলান্টিক মহাসাগর আড়াআড়িভাবে অতিক্রম করে রেকর্ড সৃষ্টি করেছিল। ছোট সেই বিমানটি চালনা করে অসাধ্য সাধন করেছিলেন আমোরকা। যুক্তরাষ্ট্রের অধিবাসী এক অত্যুৎসাহী যুবক। তার নাম ছিল চার্লস এ. লিন্ডবার্গ। তিনি এই অসাধ্য সাধনের পুরস্কারস্বরূপ নগদ পচিশ হাজার পাউন্ড লাভ করেছিলেন।

বেলুনের নানান কথা


১] বেলুনের রেকর্ড

এবার উচ্চতার বিচার নয়। দূরত্বের দিক থেকে বিচার করে দেখা যাক, কোন বেলুন কতখানি দূরবর্তী পথ অতিক্রম করে রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। ডবল ঈগল-৫ রেভেন পরীক্ষামূলকভাবে হিলিয়াম গ্যাসপূর্ণ বেলুনটি উনিশ শ' একাশি খ্রীস্টাব্দের নয় থেকে বারই নভেম্বর পর্যন্ত শূন্যে অবস্থান করেছিল। পাঁচ লক্ষ কুড়ি হাজার আটশ' আটষট্টি মাইল অৰ্থাৎ আটলক্ষ আটত্রিশ হাজার দুশ চুয়ান্ন কিলোমিটার পথ অতিক্রম করেছিল। তার যাত্রাপথ ছিল জাপানের নাগাসিমা থেকে ক্যালিফোর্নিয়ার কোভিল্লো পর্যন্ত। বেলুনটির বাতাস ধারণ ক্ষমতা এগার হাজার তিনশ ঘন মিটার।

২] মেঘের রাজ্যে হানা

উনিশ শ' আশি খ্রীস্টাব্দের একত্ৰিশে অক্টোবর কলোরাডোর ডেনভারের লঙমন্ট থেকে আই. সি. আই ইনোভেশন বেলুন ব্যবহার করে জুলিয়ান নট নামে এক বেলুনবাজ খাড়াভাবে পঞ্চান্ন হাজার এক শ’ সাইত্রিশ ফুট অর্থাৎ যোল হাজার আটশ পাঁচ মিটার উপরে উঠে বিশ্বরেকর্ড সৃষ্টি করেন। উক্ত প্রতিযোগিতাটি পরিচালনা করেন এফ. এ. আই সংস্থা।

৩] বিশ্বের প্রথম বেলুন প্রতিযোগিতা

উনিশ শ’ বাহাত্তর খ্রীস্টাব্দের অক্টোবর মাসে ক্যালিফোর্নিয়ায় এক বেলুন উড়ানো প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। তাতে যে বেলুনটি সর্বাধিক উচ্চতায় উঠে বিশ্বরেকর্ড সৃষ্টি করে সেটি প্রতিযোগিতার স্থান থেকে অর্থাৎ ভূমি থেকে এক শ’ সত্তর হাজার ফুট অর্থাৎ একান্ন হাজার আটশ' পনের মিটার উধ্বাকাশে উঠতে সক্ষম হয়েছিল। বেলুনটির নির্মাতা উখনজেন বেলুন কোম্পানী। বেলুনটির বাতাস ধারণ ক্ষমতা ৪৭.৮ লক্ষ ঘন ফুট।

৪] সেকালের বেলুন প্রতিযোগিতা

এফ.এ.আই সংস্থা পরিচালিত বেলুন প্রতিযোগিতার (দূরত্বের দিক থেকে) আয়োজন হয়েছিল উনিশ শ’ আটাত্তর খ্রীস্টাব্দে। এতে হিলিয়াম গ্যাস এবং উষ্ণ বায়ু ব্যবহারের সুযোগ ছিল। এই প্রতিযোগিতায় দু'জন বেলুনবাজ অংশ গ্রহণ করেন। তাদের একজন ছিলেন ডোনাল্ড অ্যালান ক্যামেরণ এবং দ্বিতীয়জন মেজর ক্রিস্টোফার ডেভীমেজর ডেভী মাত্র একশ’ তিন মাইল অর্থাৎ একশ’ ছেষটি কিলোমিটার পথ অতিক্রম করেই আটলান্টিক মহাসাগরের জলে পতিত হন। কিন্তু ডোনাল্ড অ্যালান ক্যামেরণ উনিশ শ’ আটাত্তরের ত্ৰিশে জুলাই আটলান্টিক মহাসাগর অতিক্রম করে বিশ্বরেকর্ড সৃষ্টি করেন।
আবার বেলুনের সাহায্যে খোলা ঝুড়িতে চেপে আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্রের চাউয়েন্সী এম. ডান্ উনি শ’ উনআশি খ্রীস্টাব্দের পয়লা আগস্ট তিপান্ন হাজার ফুট ওপরে উঠে বিশ্বরেকর্ড সৃষ্টি করেন।

৫] প্রশান্ত মহাসাগর পাড়ি

মনুষ্য বাহিত বেলুনের যে দল প্রথম প্রশান্ত মহাসাগর অতিক্রম করে তাতে ছিলেন বেন এল. অ্যাবুরুজো, ৫১, রকি এ্যায়োকি, ৪৬, (জাপান), রণ ক্লার্ক, ৪১ এবং ল্যারী এ . নিউম্যান, ৩৪ বছর বয়স্ক। 
উষ্ণ বাতাসপূর্ণ বেলুন প্রতিযোগিতা পুনরায় নতুন করে অনুষ্ঠিত হয় ইউনাইটেড স্টেটস্ অব আমেরিকায় উনিশ শ' একষট্টি খ্রীস্টাব্দে। দূরত্বের দিক থেকে বিশ্বরেকর্ড সৃষ্টি করেন ফরাসী দেশীয় বেলুনবাজ মাইকেল অ্যামোন্ড এবং হেলিন ডোরিগান। তারা পঁচিশ-ছাব্বিশ নভেম্বর উনিশ শ' একাশি খ্রীস্টাব্দে বিশ্বরেকর্ড সৃষ্টি করেন। তারা পথ অতিক্রম করেন এগার লক্ষ পাঁচ হাজার চার শ' চুয়াত্তর কিলোমিটার। অর্থাৎ সাত লক্ষ এক হাজার সাত শ’ বাহান্ন মাইল। বেলুনটি শূন্যে অবস্থান করেছিল উনত্রিশ ঘণ্টা পাচ মিনিট আটচল্লিশ সেকেন্ড। আর সেটি ছিল এ টাইপ-৫০৩ সেমিরামিশ বেলুন। তার আয়তন ১৫,০০৪ ঘন মিটার।

Friday, April 27, 2018

অ্যাভেঞ্জারস্: ইনফিনিটি ওয়ার সিনেমাটি সম্পর্কে ১০ টি অজানা ও চিত্তাকর্ষক তথ্য


অ্যাভেঞ্জারস্: ইনফিনিটি ওয়ার সিনেমাটি সম্পর্কে ১০ টি অজানা ও চিত্তাকর্ষক তথ্য

মার্ভেল স্টুডিওর, অ্যাভেঞ্জারস্: ইনফিনিটি ওয়ার, হলো এমন একটি চলচ্চিত্র যা ভারত তথা বিশ্বের সব জায়গাতেই সমানভাবে জনপ্রিয়। তাই আজ আপনাদের আমি এই সিনেমাটি সম্পর্কে ১০ টি অজানা ও চিত্তাকর্ষক তথ্য জানাব। তো চলুন শুরু করা যাক -

১. অ্যাভেঞ্জারস্: ইনফিনিটি ওয়ার হলো বিশ্বের প্রথম ছবি যার নির্মাণকার্য ডিজিটাল ২ ডি আইবিএমএক্স ( Digital 2D IBMX) - এর ক্যামেরার মাধ্যমে করা হয়েছে।

২. এই সিনেমাটি মার্ভেল স্টুডিওর দ্বারা নির্মিত ১৯ - তম ছবি যার মুক্তির দিন অ্যাভেঞ্জারস্ : এজ অফ  অ্যালট্রন(Avengers: Age of Ultron)(২০১৫) সিনেমাটি তৈরি করার সময় ঠিক করা হয়ে গিয়েছিল।

৩. প্রথমে মনে করা হয়েছিল যে, এই সিনেমাটিতে ক্যাপ্টেন মার্ভেলকে দেখা যেতে পারে কিন্তু ছবিটির পরিচালকরা এ বক্তব্যকে সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন এবং ক্যাপ্টেন মার্ভেলকে নিয়ে ২০১৯ সালে একটি নতুন ও বিশেষ সিনেমা তৈরি করা হবে বলে জানান।

৪. এই চলচ্চিত্রটির প্রথম ট্রেলার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ২ কোটিরও বেশি বার দেখা হয়েছে, এই ছবিটি এক দিনে সবচেয়ে 'বেশি ট্রেলার দর্শনের' জন্য একটি নতুন রেকর্ড সৃস্টি করেছে।

৫. এই সিনেমাটির দুটি অংশ তৈরি করতে মোট খরচ হয়েছে ১ বিলিয়ন ইউএস ডলার যার মধ্য থেকে ৪০০ মিলিয়ন ইউএস ডলার ছবিটির বিভিন্ন অভিনেতা-অভিনেত্রী এবং অন্যান্য কলাকুশলীদের দেওয়া হয়েছে।

৬. এই চলচিত্রটি মার্ভেল সিনেম্যাটিক ইউনির্ভাস( Marvel Cinematic Universe) -  এর ১০ বছর বর্ষপূর্তি উপলক্ষে দর্শকদের উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছে এবং মজার বিষয় হলো যে এই সিনেমাটিও দ্যি অ্যাভেঞ্জারস্ (The Avengers)(২০১২) সিনেমাটির ঠিক ১০ বছর পরে মুক্তি পেতে চলেছে।

৭. জশ হয়েডন (Joss Whedon), যিনি প্রথম দুইটি অ্যাভেঞ্জারস্ সিনেমা পরিচালিত করেছিলেন তিনি এবারের অ্যাভেঞ্জারস্: ইনফিনিটি ওয়ার সিনেমাটি পরিচালিত করতে অস্বীকার করেছিলেন আর এই কারণে রুশো ভাতৃদ্বয় সিনেমাটি পরিচালনা করলেন।

৮. এই সিনেমাটির পরিচালক রুশো ভাতৃদ্বয় (Russo Brothers) এই বক্তব্য প্রকাশ করেছেন যে, এই ছবিটি দুটি অংশে যথাক্রমে ২০১৮ ও ২০১৯ সালে মুক্তি পাবে এবং এই সিনেমাটিতে ৬৬ টিরও বেশি চরিত্র দেখা যাবে।

৯. অ্যাভেঞ্জারস্: ইনফিনিটি ওয়ার চলচিত্রটির অন্যতম অভিনেতা টম হল্যান্ড (Tom Holland)- কে ছবিটির সংলাপ পড়তে দেওয়া হয়নি, কেননা তিনি 'স্পাইডার-ম্যান হোমকামিং' (Spider-Man Homecoming) ছবিটির অনেক বেশি তথ্য সংবাদ মাধ্যমে ফাঁস করে দিয়েছিলেন।

১০. এই সিনেমাটিতে থ্যানোস (Thanos) হলো অন্যান্য দৈত্য ও দানবদের থেকে সবচেয়ে শক্তিশালী একটি চরিত্র।

অ্যাভেঞ্জারস্: ইনফিনিটি ওয়ার সিনেমাটি সম্পর্কে ১০ টি অজানা ও চিত্তাকর্ষক তথ্য - আর্টিকেলটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

Tuesday, April 24, 2018

টিভি নিয়ে ৭ টি মজার এবং অজানা খবর

         টিভি নিয়ে ৭ টি মজার এবং অজানা খবর

১. টিভি ফ্ৰী-ডে - আইসল্যান্ডে সপ্তাহে একটি দিন ‘টিভি ফ্ৰী-ডে' হিসাব গণ্য হয়। সেই শুভদিনটি
হচ্ছে বৃহস্পতিবার। প্রত্যেকের পারিবারিক জীবনে এটির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। অবশিষ্ট দিনগুলিতে টিভির অনুষ্ঠান খুবই কম সময় ধরে প্রদর্শিত হয়। সাধারণত রাত্রি আটটা থেকে এগারটা পর্যন্ত অনুষ্ঠান প্ৰদৰ্শিত হয়। ১৮৮২ খ্রীস্টাব্দ থেকে প্রতি বছরের জুলাই মাসটি টিভি ফ্রী মাস’ হিসাবে গণ্য হয়ে আসছে। ১৯৮৪ সালের একটি হিসাব অনুযায়ী আপার ভোল্টাতে গড়ে প্রতি এক হাজার বাড়িতে একটি করে টেলিভিশন সেট রয়েছে।

২. সর্বাধিক টিভি সেট -  ইউনাইটেড স্টেটস অব আমেরিকাতে বিশ্বের মধ্যে সর্বাধিক সংখ্যক টেলিভিশন সেট রয়েছে। ১৯৮৬ খ্রীস্টাব্দের পরিসংখ্যান অনুযায়ী সেদেশের বাড়ি বাড়ি ৮৫ কোটি ১ লক্ষ টেলিভিশন সেট ছিল। তার মধ্যে ৩৫ মিলিয়ন(১ মিলিয়ন = ১০ লক্ষ)কেবল টিভি, ১৮ মিলিয়ন পে টিভি, ২৬ মিলিয়ন সাবস্ক্রিপসন্ সেটেলাইট টিভি এবং ৪ মিলিয়ন ভিডিও ক্যাসেট। উক্ত হিসাব অনুযায়ী প্রতিটি বাড়িতে টিভি সেটের সংখ্যা গড়ে ২০- এরও বেশী।

৩. হাত ঘড়ির আকৃতি টিভি -  এবার আলোচনা করা যাক, বিশ্বের কোন দেশ এবং কোন টিভি সমগ্র বিশ্বের টিভি সমাজে ক্ষুদ্রতম সেট বলে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে? এদিক থেকে জাপানের সিকো টিভির স্থান সর্ব অগ্রগণ্য বলে বিবেচিত। ১৯৮২ খ্রীস্টাব্দের ২৩- এ ডিসেম্বর উক্ত টিভিটি বিক্রয়ের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। টিভিটির পর্দা ১২ ইঞ্চি। আর ওজন? এ-ও রীতিমত অবিশ্বাস্য কাণ্ড ঘটিয়েছে জাপানের উক্ত টিভি নির্মাণ প্রতিষ্ঠান। একটি সেটের মাত্র ২.৮ আউন্স। এর মধ্যেই আছে গ্রাহক যন্ত্র, হেড ফোন সেট। তবে অবশ্যই এটি সাদা-কালো টিভি। আর মূল্য? একটিমাত্র টিভি সেটের বিক্রয়মূল্য ১ লক্ষ ৮ হাজার ইয়েন অর্থাৎ  প্রায় 992 ডলার। এটি একটি হাতঘড়ির আকৃতি বিশিষ্ট।

৪. সর্বাধিক টিভি দর্শক -  ১৯৭৮ খ্রীস্টাব্দের জানুয়ারী মাসের হিসাব অনুযায়ী জানা গেছে ইউনাইটেড স্টেটস অব আমেরিকার শিশু থেকে আঠারো বছরের যুবক যুবতী পর্যন্ত এক নাগাড়ে ৭০০ দিনের সমান অর্থাৎ ১৭০৪০ ঘণ্টা টেলিভিশনের অনুষ্ঠান দেখে। তার মধ্যে তারা ৩ লক্ষ ৫০ হাজার ৬০০ কমার্শিয়াল ছবি এবং ১৫০০০ এরও বেশী সংখ্যক মারদাঙ্গার ছবি দেখে। ১৯৯০- এ মার্চের হিসাব অনুযায়ী জানা যায় ইউনাইটেড স্টেটস অব আমেরিকার জনসাধারণ গড়ে প্রতিদিন ৭ ঘণ্টা ২ মিনিট টেলিভিশনের অনুষ্ঠান দেখে ৮৪ মিলিয়ন (এক মিলিয়ন = দশ লক্ষ) বাড়ির টেলিভিশন সেটে।

৫. ক্ষুদ্রতম টিভি সেট -  ক্ষুদ্রতম সিঙ্গলপিস টিভি সেটটির নাম ‘ক্যাসিও কেইস্যানিক টিভি-১০' ওজন ১১.৯ আউন্স, পর্দাটি ২.৭ ইঞ্চি। ১৯৮৩ খ্রীস্টাব্দের জুলাই মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে টিভি-টির বিক্রি শুরু হয়।

৬. ক্ষুদ্রতম রঙিন টিভি - সাদা-কালো টিভির খবরাখবর তো জানা গেল। এবার দেখা যাক, বিশ্বের ক্ষুদ্রতম টিভি সেট (রঙিন) কোন দেশ, কবে তৈরী করেছিল। ১৯৮৩ খ্রীস্টাব্দের জুন মাসে জাপানে একটি রঙিন টিভি আনুষ্ঠানিকভাবে বাজারে এসেছিল। যার একটির ওজন ১.১৩ পাউন্ড এবং পর্দা ১.৫ ইঞ্চি।

৭. টিভি শিল্পীদের সর্বাধিক অর্থপ্রাপ্তির তালিকা - 

১. সোফিয়া ভেরগারা $৪১,৫০০,০০০

২. জিম পারসন $২৭,৫০০,০০০

৩. জনি গালেসকি $২৬,৫০০,০০০

৪. ক্যালি কুয়োকো $২৬,০০০,০০০

৫.  সিমন হেলব্রেগ $২৬,০০০,০০০

৬. কুনাল নায়ের $২৫,০০০,০০০

৭. মার্ক হার্মন $১৯,০০০,০০০
                         
৮. টাই বুরেল $১৩,৫০০,০০০

৯. মিনডি কালিং $১৩,০০০,০০০

১০.এলেন পমপিও $১৩,০০০,০০০

১১.মারিস্কা হার্জিটে $১২,৫০০,০০০

১২. এরিক স্টোনস্ট্রীট $১২,৫০০,০০০

১৩. জুলি বোয়েন $১২,০০০,০০০

১৪. কেভিন স্পাসে $১২,০০০,০০০

১৫. এড ও'নিল $১২,০০০,০০০

১৬. জেসি টাইলার ফার্গুসন $১১,০০০,০০০

১৭. কেরি ওয়াশিংটন $১১,০০০,০০০

টিভি নিয়ে ৭ টি মজার এবং অজানা খবর - আর্টিকেলটি পড়ার জন্য ধন্যবাদ। এই ধরনের আরও আর্টিকেল পাবার জন্য আমাদের ওয়েবসাইটের সঙ্গে যোগাযোগ রাখুন এবং এই আর্টিকেলটি কেমন লাগলো তা কমেন্ট করে বলতে ভুলবেন না কিন্তু।